ধর্মের ধর্ষক কিংবা ধর্ষকের ধর্ম; যৌনপীড়নের এমন অপরাধকর্মের বৈধতার প্রথম একটি স্তর ইসলাম। এ স্তরের বৈচিত্র্য আজ প্রায় ১৪০০ বছর ধরে নিস্তরঙ্গ প্রবাহিত হয়ে আসছে।
ইসলাম ধর্মের প্রচারক কথিত নবুয়তের নবী দাবিদার মুহাম্মদ থেকে খুলাফায়ে রাশেদিন এবং ইসলামের প্রচারণার বীর্যপাতে জন্মলাভ করা খিলাফত থেকে উম্মতে মুহাম্মদী; এর পরতে পরতে যুগের ধারাবাহিক অববাহিকায় ধর্ম, শরিয়াহ, কোরান ও সুন্নাহের আলোকে ধর্ষণকাণ্ডে ইসলামের অবস্থান অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
নারী শিশু ধর্ষণ থেকে বলাৎকার; কথিত ইসলামের শান্তির ছায়াতলে নবী মুহাম্মদের অবাধ যৌনতা এবং নিপীড়নের ইতিহাস সম্মোহিত করে আজও মুসলমান, ধর্ম ইসলামের পাক পবিত্র মাওলানা, আলেম, হুজুরগণদের। লম্বা জোব্বার অন্তরালে থাকা নিস্তেজ যৌনাঙ্গ উত্থিত হয় শরিয়াহ ও কোরানের আয়াত ও নবী মুহাম্মদের সুন্নতী তরিকা ও বাণীতে।
ধর্ম প্রচারক নবীর বিয়ের মধ্য দিয়ে পবিত্র বৈধ শিশু ধর্ষণ, ৬ বছরের শিশু আয়েশার সাথে যৌন সঙ্গমের তৃপ্ত ইতিহাস, ২ যৌন দাসী, ১১ স্ত্রী, পুত্র জায়েদের সুন্দরী স্ত্রী জয়নাব বিনতে জাহশের সাথে পরক্রীয়া প্রেম, অতঃপর পুত্র জীবিত থাকা অবস্থাতেই বিয়ে, যুদ্ধে বন্দিনী নারীদের কোরানের আয়াত নাজিল করে স্বয়ং আল্লাহর মাধ্যমে জোরপূর্বক ধর্ষণকে জায়েজ করার যেসব ঐতিহাসিক ইতিবৃত্ত; ইসলাম ধর্মের সোহবতে থাকা যে কোন মুমিন মুসলমানকে উদগ্রীব করে।
আল্লাহ মহান! যিনি রূপকথার কাল্পনিক জান্নাতে ৭২ হুর ও অবাধ যৌনাচারের সুসংবাদ প্রদান করেন। এছাড়াও খলিফা হযরত উমরের ৯ বছর বয়সী উম্মে কুলসুমকে বিয়ের নামে ধর্ষণের ইতিহাস অজানা নয়। উম্মে কুলসুমকে যখন উমরের কাছে পাঠনো হয় বিয়ের আগে; উমর উম্মে কুমসুমের কাপড় তুলে যৌনাঙ্গে আঙুল ঢুকিয়ে তাঁর সতীর্থ (ভারজিনিটি) পরীক্ষা করে। এমন যৌনতার বর্বর ইতিহাসই ইসলাম ধর্মের ধর্ষক তৈরি করে।
আজকের বর্তমান বাংলাদেশে বিভিন্ন আবাসিক মহিলা ও পুরুষ মাদ্রাসা থেকে শুরু করে মসজিদের ইমাম, মোজাজ্জিন, মাওলানারা সংঘবদ্ধ ভাবে শিশু ধর্ষণ ও নাবালক শিশুদের বলাৎকার করছে। এবং সারাদেশে ধর্মের ধর্ষকেরা শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের দাবীও জানাচ্ছে। পেছনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র; ধর্মের নামে অপরাধকে বৈধতা দেওয়া।
কারণ এপস্টিন নবী মুহাম্মদ এমন এক জাহেলিয়াত ছিলেন; যার সমগ্র জীবনে নারী লিপ্সুতার ছায়ায় একটি যৌনতার ইতিহাস রচিত হয়েছিলো।
শিশুবিবাহ কোনও সংস্কৃতি নয়, কোনও ঐতিহ্য নয়, কোনও ধর্মীয় অধিকার নয়-এটি শিশুর শৈশব, শরীর, শিক্ষা, স্বাধীনতা ও ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়া। একটি শিশুর যে মানুষিক বিকাশ এটিকে ধ্বংস করে দেওয়া। আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানদণ্ডে আঠারো বছরের নিচে বিয়ে শিশুবিবাহ এবং গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন।
কিন্তু বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বেই এপস্টিন নবী মুহাম্মদের বীর্যে জন্মলাম করা কিছু ইসলাম ধর্মের কুসন্তানেরা রয়েছে যারা আজও ধর্ম ও শরিয়াহ আইনের নামে শিশুদের নিগৃহীত করে আসছে।
