নবী মুহাম্মদ ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ পুরুষ। মুসলিম উম্মার দয়াল নবী। সেই শ্রেষ্ঠ লোকের শ্রেষ্ঠত্ব দেখে আমি আজ নাস্তিক।
কিন্তু কেন?
হে নবী! নিশ্চয় আমি তোমার জন্য তোমার স্ত্রীগণকে বৈধ করেছি যাদেরকে তুমি মোহরানা প্রদান করেছ এবং বৈধ করেছি তোমার অধিকারভুক্ত দাসিগণকে যাদেরকে আমি যুদ্ধবন্দিনীরূপে দান করেছি এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি তোমার চাচাতো ভগিনী, ফুফাতো ভগিনী, মামাতো ভগিনী ও খালাতো ভগিনীকে; যারা তোমার সঙ্গে দেশ ত্যাগ করেছে এবং কোন বিশ্বাসীনী নবীর নিকট নিজেকে নিবেদন করলে এবং নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে (সেও তোমার জন্য বৈধ।) –এ (বিধান) বিশেষ করে তোমারই জন্য; অন্য বিশ্বাসীদের জন্য নয়; বিশ্বাসীদের স্ত্রী এবং তাদের দাসিগণ সম্বন্ধে যা নির্ধারিত করেছি তা আমি জানি। (৩৩ঃ৫০)
বিভিন্ন গোত্রের সাথে ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে অর্থ ও ক্ষমতার জন্য যুদ্ধে জড়িয়েছে নবী মুহাম্মদ। সেসব যুদ্ধে মুসলমানের বিজয়ের পর যুদ্ধে বন্দিদের স্ত্রী, কন্যা ও নারীদের প্রতি আচরন ছিলো প্রশ্নবিদ্ধ, অমানবিক ও বর্বর; এমন আচরণ জাহেলিয়াতের নিদর্শন। বন্দিনী এসব নারীদের যুদ্ধে বিজয়ী যোদ্ধা, বিজেতা ও অনুসারীদের মধ্যে বন্টন করা হত। এসব নিয়ে মনোমালিন্যও হতো।
নবী মোহাম্মদ নিজেও রায়হানা ও মারিয়া কিবতিয়াকে বিয়ে ছাড়াই সম্ভোগ করেছেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায় বিভিন্ন বর্ণনায়। এমনকি স্বপ্নে ৬ বছরের শিশু আয়েশাকে দেখেছেন। কোরআনের আয়াত নাজিল হলো। নবী মুহাম্মদ বিয়ে করলেন একজন নাবালিকশন; যার নিজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার মানুষিক বুঝাপড়া তৈরি হয়নি।
যা একটি শিশুর প্রতি শুধুমাত্র যৌন নির্যাতন বলাটাই কি যুক্তিসংগত মনে করেন?
নাকি এমন আচরন একজন শিশুর শারিরিক, মানুষিক এমনকি একটি শিশুর সুন্দর শৈশবকে হত্যা করা?
দ্বীন ইসলামের কোরানের পাতা উল্টালেই নবী মুহাম্মদের নারী, বিয়ে, দাসী এবং সম্গভোগের ল্প। এটি আমার মধ্যে প্রশ্নের উদ্রেক করে; এটি কি আসমানী গ্রন্থ না ভন্ড নবী মুহাম্মদের লেখা সংকলিত কিছু উক্তির গ্রন্থ; যা উনি নিজের প্রয়োজনে সময়ের সাথে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে তাঁর অনুসারিদের দিগভ্রান্ত করেছেন। বাঁধভাঙ্গা এ উচ্ছ্বাসের এ গল্প কি কোন ধর্মগ্রন্থ হতে পারে?
না। পারে না।
