১৯ আগস্ট ২০২৪
আমার এ ধরনের লেখালেখির হাতেখড়ি বলতে গেলে। আমি আমার স্বল্প বুদ্ধিতে যা বুঝেছি, তা হলো—বাংলাদেশ যদিও মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি দেশ, এটি আসলে উগ্র ইসলামিক দেশ নয়; যেটা হিযবুত তাহরীর, হরকাতুল জিহাদ, হেফাজত, জামাত/শিবির মনে করে বা আশা করে।
এই প্রেক্ষিতে আমার মনে হয়েছে, বাংলাদেশের ইরানের মতো হওয়াটা খুবই বাজে একটি ব্যাপার হবে। যেখানে নারীদের কোনো অধিকার নেই, সমকামী ও অবিশ্বাসীরা মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে থাকে—তেমন একটি দেশের মতো হয়ে বাংলাদেশের কী লাভ?
এইসব উগ্র গোষ্ঠীগুলোকে পাকাপাকিভাবে নিষিদ্ধ করে দেওয়া দরকার, যেন তারা এভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার করতে না পারে এবং বাংলাদেশকে অবমাননা করতে না পারে।
আমি বিদেশে এসে বুঝতে পেরেছি, আমরা কতটা পশ্চাৎপদ। এই পশ্চাৎপদতা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক।
বাংলাদেশে প্রয়োজন হলে আইন করে ধর্মচর্চাকে ব্যক্তির একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপারে পরিণত করা দরকার, যাতে ইসলামের প্রচারের নামে বাংলাদেশ ইরানের মতো হয়ে না বসে।
টীকা:
“বাংলাদেশ কী ইরান হতে চলেছে?” শিরোনামের লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯ আগস্ট ২০২৪ তারিখে এথিস্ট নোট-এ। বর্তমানে লেখাটি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে পুনঃপ্রকাশ করা হলো।
